• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০০
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

আরব আমিরাতে রমজানের আগেই ৯০০ বন্দিকে মুক্ত করলেন ব্যবসায়ী

প্রতিনিধি: / ২৫৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিদেশ : সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)-ভিত্তিক ভারতীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী ফিরোজ মার্চেন্ট পবিত্র রমজান মাসের আগে উপসাগরীয় দেশটির ৯০০ বন্দির মুক্তি নিশ্চিত করতে ১০ লাখ দিরহাম দান করেছেন। এটি বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দুই কোটি ৯৮ লাখ ৪২ হাজার ১৭১ টাকা। এ ছাড়াও দেশে ফেরার জন্য তাদের জরিমানা ও বিমান ভাড়াও পরিশোধ করেছেন এই ব্যবসায়ী। খবর মিডেল ইস্ট মনিটরের। ফিরোজ মার্চেন্ট পিওর গোল্ড জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা ও মালিক। বন্দিদের জামিনের চার্জ হিসেবে এই অর্থ প্রদান করেন ৬৬ বছর বয়সী ব্যবসায়ী। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত দ্য ফরগটেন সোসাইটি ইনিশিয়েটিভের অংশ হিসেবে এ বছরের শুরু থেকে ৯০০ বন্দিকে মুক্ত করা হয়েছে। মার্চেন্টের অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিশিষ্ট দুবাই-ভিত্তিক ভারতীয় ব্যবসায়ী এবং পিওর গোল্ডের প্রতিষ্ঠাতা ফিরোজ মার্চেন্ট সারা আরব আমিরাতের কারাগার থেকে ৯০০ জন বন্দির মুক্তি নিশ্চিত করতে ১০ লাখ দিরহাম দান করেছেন।’ ধনাঢ্য এই ব্যবসায়ী এ বছর তিন হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্ত করতে চান বলে জানা গেছে। এ পর্যন্ত তার উদ্যোগটি বিগত বছরগুলোতে ২০ বন্দিকে সাহায্য করেছে। ফিরোজ মার্চেন্টের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ‘সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি খুবই সৌভাগ্যবান। ফরগটেন সোসাইটি ইনিশিয়েটিভটির ভিত্তি মানবতা। আমরা তাদেরকে নিজ দেশ ও সমাজে তাদের পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের সুযোগ প্রদানে একসঙ্গে কাজ করি।’ আমিরাতের শাস্তিমূলক ও সংশোধনমূলক সংস্থার উপপরিচালক (প্রশাসন) কর্নেল মোহাম্মদ ইউসুফ আল-মাতরুশি বলেন, ‘তার (ফিরোজ মার্চেন্ট) কাছে হাজার হাজার মানুষ কৃতজ্ঞ ও ঋণী। যে বিষয়টি তার উদ্যোগটিকে এত চিত্তাকর্ষক করে তোলে, তা হলো শান্ত ও বিচক্ষণ পদ্ধতি। এর মাধ্যমে যারা জরিমানা দিতে পারে না বলে দিনের পর দিন কারাগারে পড়ে থাকেন, তাদেরকে ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা প্রদান এবং সত্যিকার অর্থে আশাবাদী করে তোলেন তিনি।’


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com