• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৫
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

আরাকান আর্মির রাখাইনে তিন দিনে ৮০ সেনা হত্যার দাবি

প্রতিনিধি: / ২৬২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আন্তর্জাতিক: মিয়ানমার জান্তা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে চলমান লড়াই তীব্র হয়েছে। উপক‚লীয় শহর রাখাইন রাজ্যের রামরিতে তিন দিনের লড়াইয়ে প্রায় ৮০ জন সেনাকে হত্যার দাবি করেছে আরাকান আর্মি (এএ)। স্থানীয় সময় গত শনিবার চারটি সামরিক হেলিকপ্টারে ১২০ জন সেনাকে রামরি শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এএ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য। কিন্তু আরাকান আর্মি দাবি করছে, তাদের মধ্যে ৮০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। ওই সেনারা মিয়ানমারের আইয়ারওয়াদি অঞ্চলের কিয়নপ্যাউ টাউনশিপে অবস্থিত পদাতিক ব্যাটালিয়ন ৩৬ এবং রাখাইনের অ্যান টাউনশিপে অবস্থিত লাইট ইনফযানট্রি ব্যাটালিয়ন ৩৭৩ থেকে এসেছিলেন। এএ বলেছে, শনিবার যুদ্ধের সময় প্রায় ৬০ জন সেনা নিহত হয়েছে, যদিও ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছিল জান্তা বাহিনী। আরাকান আর্মি পরে জানিয়েছে,প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সেনাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’ এএ জানিয়েছে, গত সোমবারআরো ২০ জন শাসক সেনা নিহত হয়েছে এবং জান্তা বাহিনীর হারবিন ওয়াই-১২ পরিবহন বিমানের ফেলে দেওয়া গোলাবারুদ এবং খাদ্য সরবরাহও জব্দ করেছে।
টাউনশিপে সংঘর্ষ শুরু হয় ডিসেম্বরের মাঝামাঝি, যখন আরাকান আর্মি রামরি শহরের দক্ষিণে অং চ্যান থার পাহাড়ের চ‚ড়ার প্যাগোডায় অবস্থানরত শাসক বাহিনীকে আক্রমণ করে। সেই থেকে মিয়ানমার জান্তা শহরটিতে আকাশ, সমুদ্র ও স্থল থেকে নিরলসভাবে বোমাবর্ষণ করছে। জান্তার গোলা ও বোমার আঘাতে টাউনশিপ হাসপাতাল ও রামরি শহরের বাজারসহ বাড়ঘির ও ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরোধী জাতিগত বিদ্রোহী গ্রæপগুলো হামলা চালিয়ে আসছে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে। এরই মধ্যে সরকারের হাতছাড়া হয়েছে বিশাল এলাকা। সূত্র : ইরাবতী

 


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com