• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৮
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

কলারোয়ায় সীমান্তের ধানক্ষেতে দেখা মিললো রাসেল ভাইপার, আ ত ঙ্কে মানুষ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৭৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তের একটি ধানক্ষেতে দেখা মিললো ভয়ঙ্কর রাসেল ভাইপার সাপ। কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদী বাজারের পাশে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ‘রাসেল ভাইপার’ নামের ওই সাপের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে পিটিয়ে সাপটি মেরে ফেলে স্থানীয়রা।

কলারোয়ার হিজলদী গ্রামটি ভারত সীমান্ত ঘেঁষা।
হিজলদী গ্রামের মনিরুল ইসলাম জানান, ‘শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তিনি মাঠে যান। ধানক্ষেতের পাশে সাপটি তিনি দেখতে পান।

সেসময় তিনি আতঙ্কগ্রস্থ হলেও আশপাশের লোকজনের সহায়তায় সাপের গতিবিধি লক্ষ্য করে কিছু দূর গিয়ে কৌশলে সাপটি মেরে ফেলতে সক্ষম হন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে সাপটি ভারতের সীমান্তে পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। কিছুদিন আগেও একই এলাকায় একজোড়া সাপের দেখা যায়। তবে মারা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার পরে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

 

এদিকে কয়েক মাস আগে পার্শ্ববর্তী সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের বড়ালী গ্রামের ধান ক্ষেত থেকে একটি রাসেল ভাইপার সাপ পিটিয়ে মারে কৃষকরা। পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী একই এলাকায় আরো দুটি রাসেল ভাইপার সাপ দেখা যায়। পরে এলাকাবাসী তা মেরে ফেলে।

 

ওই দুই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে রাসেল ভাইপার নামের এই বিষাক্ত সাপ বিশেষ করে ধানক্ষেতে আশ্রয় নেয়। কারণ এই দুই এলাকায় ছাড়াও আশপাশে যেখানে এই সাপের সন্ধান মিলেছে তার বেশিরভাগ পাওয়া গেছে ধান ক্ষেতে।’

 

জানা গেছে, অন্যতম বিষাক্ত ও ভয়ংকর সাপ হলো রাসেল ভারপার বা চন্দ্রবোড়া সাপ। এর লেজ খুব লম্বা হয় না। সাপটিও বেশি লম্বা না। তবে বেশ মোটা। সাপের মাথা খুব বড়। গায়ে কিছুটা ছপছপ ডোরাকাটা কালো দাগ। গালের ভিতরে উপরের দুটি দাঁত আর নিচের দুটো দাঁত বেশ বড়, কোঁকড়ানো এবং শক্ত। এদের প্রধান খাদ্য ইঁদুর।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com