• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৮
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

নিখোঁজের ছত্রিশ দিনেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার স্কুল ছাত্রী মন্দিরা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৭৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫

সাতক্ষীরায় নিখোঁজের এক মাস ছয় দিন পার হলেও সন্ধান মেলেনি স্কুল ছাত্রীর। এ ঘটনায় অপহরণ মামলা করেছে পরিবার। তবে মেয়ে উদ্ধার না হওয়ায় উদ্বেগ আর হতাশায় দিন পার করছে ভুক্তভোগী পরিবার। তাদের মেয়ে বেঁচে আছে কিনা, মর্মান্তিক কিছু ঘটে গেছে তা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। পুলিশ বলছে, উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

 

নিখোঁজ স্কুল ছাত্রী মন্দিরা দাস (১৬), সাতক্ষীরা সদরের মাগুরা বীনেরপোতা এলাকার বাসুদেব দাসের মেয়ে। স্থানীয় একটি স্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।

 

মন্দিরা দাসের বাবা বাসুদেব দাস বলেন, আমার মেয়ে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে স্থানীয় একই এলাকার রতন বসুর ছেলে দীপ্ত অপু আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতো। এ বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে বহুবার কথা বলেছি। পরে কিছুদিন উত্তক্ত না করলেও গত ১৮ জুন সন্ধ্যায় আমার মেয়ে বাড়ির সামনে রাস্তায় গেলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

 

তিনি বলেন, পরবর্তীতে ২০ জুন সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করি। থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নিয়ে এক পর্যায়ে ট্রাইবুনালে মামলা করার পরামর্শ দেন। আদালতের নির্দেশে চার ‍জুলাই সদর থানা মামলা নেয়। তবে এখনো পর্যন্ত আমার মেয়েকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

 

মন্দিরার মা বিশিখা রানী দাশ অভিযোগ করেন, আমরা প্রশাসনের অনেক জায়গায় ঘুরেছি, কিন্তু এখনো আমার মেয়েকে উদ্ধার করা যায়নি। আমরা জানি না, সে আদৌ জীবিত আছে কি না।

 

তিনি আরও বলেন, মামলার একজন আসামি গ্রেপ্তার হলেও বাকিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশের নির্লিপ্ততায় তিনি ক্ষুব্ধ ও হতাশ। মন্দিরার পরিবার এখন সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাত জানান, বর্তমানে কাজের অনেক চাপ। তবুও মন্দিরা দাশের উদ্ধারের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে এখনো তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্ধার করতে সক্ষম হবো।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com