• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৭
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

ভাটকান্দিতে পটকা তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ

বগুড়া প্রতিনিধি / ২৩১ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
পটকা তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ

বগুড়ায় বাড়ির ভিতরে থাকা পটকা তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছে। শনিবার দুপুরে শহরের ভাটকান্দি এলাকার মৃত হায়দার আলীর বা‌ড়ি‌তে বিস্ফোরণটি হয়।
তবে, এ ঘটনায় কেউ নিহত বা আহত হননি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারুলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তারিকুল ইসলাম।
জানা গেছে, ভাটকান্দি এলাকার মৃত হায়দার আলীর জামাই খোকন গোপনে বাড়িতে পটকা তৈরির কাজ শুরু করেন। বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে পটকা তৈরির সরঞ্জামসহ কিছু বিস্ফোরক মজুদ করা ছিল। হঠাৎ করে দুপুরে বিকট শব্দে ওই ঘরে বিস্ফোরণ হয়। এতে ঘরের টিনের চালা উড়ে গিয়ে বাইরে পড়ে।
পুলিশ কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরণের সময় খোকনের স্ত্রী শিল্পি ছাগল নিয়ে মাঠে গি‌য়ে‌ছিলেন। খোকনও বাড়িতে ছিলেন না। ধারণা করা হচ্ছে, প্রচন্ড রোদ এবং গরমে বিস্ফোরণটি হতে পারে এবং ঘটনার পর ‌থেকেই খোকন পলাতক রয়েছেন। উল্লেখ্য যে,  গত ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাটকান্দির মালতিনগর এলাকায় রেজাউল করিমের বাড়িতে পটকা তৈরির সময় বিস্ফোরণ হয়।
এতে বাড়িটির টিনশেড ও তিনটি ঘর বিধ্বস্ত হয়। বিস্ফোরণে চার নারী আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাসনিম বুশরা নামে এক স্কুল ছাত্রী মারা যায়। এরপর থেকে এলাকাবাসী পকটা কারখানা বন্ধে বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করে আসছিল।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com