• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪
সর্বশেষ :
পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। ওসি কিবরিয়ার রহস্যজনক নিরবতায় পাইকগাছায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের পুনর্বাসন বাড়ছে। ক্ষোভে ফুঁসছে জনগণ। ৫-ই আগস্টে আমেরিকায় পালিয়ে যাওয়া শেখ পরিবারের ঘনিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাদা আবু ইলিয়াসের এলাকায় ফিরে আসা নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি। প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা নির্বাচনকে ঘিরে পাইকগাছায় সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েই চলেছে, নীরব ভূমিকায় ওসি গোলাম কিবরিয়া। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। তাহলে কি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা না করে, দূষণের পক্ষ নিলেন আবুল কালাম আজাদ? পাইকগাছায় অবৈধ ইটভাটা ও কয়লার চুল্লি উচ্ছেদ। প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে পেয়েছে স্থানীয় জনগণ। খুলনা-৬ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির সংসদ প্রার্থীর সমর্থককে কারণ দর্শানোর নোটিশ। খুলনা-৬ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। একই সাথে জামায়াত ও বিএনপির দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ‌‌।

মাছ কাটার শ্রমিক থেকে উদ্যোক্তা: আঁইশে গড়া সম্ভাবনার গল্প

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি / ১১৩৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

একসময় যিনি ছিলেন মাছ কাটার সাধারণ শ্রমিক, আজ তিনি এলাকার উদ্যোক্তা। শুধু নিজের নয়, আশপাশের অনেকের জীবনদৃষ্টিও পাল্টে দিয়েছেন তিনি। বলছি বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার দোহাজারী গ্রামের বৃন্দাবন দাসের কথা—যিনি এখন মাছের আঁইশ প্রক্রিয়াজাত করে আয় করছেন উল্লেখযোগ্য অর্থ এবং লিখছেন সম্ভাবনার নতুন অধ্যায়।

 

প্রকল্পভিত্তিক কাজের সুযোগ নিয়ে বৃন্দাবন দাস যুক্ত হয়েছেন পিকেএসএফ, নবলোক পরিষদ, IFAD ও DANIDA-এর যৌথ অংশীদারিত্বে পরিচালিত আরএমটিপি প্রকল্পে। এই প্রকল্পের সহায়তায় তিনি প্রতি মাসে প্রায় ৩০০ কেজি মাছের আঁইশ সংগ্রহ করছেন এবং খুলনার রূপসা উপজেলার ইলায়পুর বাজারে প্রতি মণ ২,৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

 

 

এতে করে বছরে তাঁর বাড়তি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা, যা দিয়ে ইতোমধ্যে মেয়ের বিয়ের খরচ মিটিয়েছেন এবং এখন ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।

 

উদ্যোক্তা বৃন্দাবন বলেন, আগে কেবল মাছ কাটতাম, আয় ছিল অল্প। এখন আঁইশ দিয়ে ব্যবসা করি। এই টাকা দিয়েই মেয়ের বিয়ে দিয়েছি, ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর পরিকল্পনাও করছি। জীবনে এই পরিবর্তন এনে দিয়েছে আঁইশ আর প্রকল্পের সহায়তা।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com