• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪২
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

মাদক ব্যবসা ও অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

বগুড়া প্রতিনিধি / ৬৫৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৪
মাদক ব্যবসা ও অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

বগুড়া জেলা শহরের কলোনী চকফরিদের পেয়ারা ও তার বাহিনীর মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে কারবালা মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসী। শুক্রবার (৪ অক্টোবর) দুপুর আড়াই টায় শহরের কলোনী চকফরিদ এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

উক্ত মানববন্ধনে বক্তারা জানান প্রায় কয়েকবছর আগে চকফরিদ এলাকায় অদৃশ্য শক্তির মাধ্যমে জমি কিনে বাড়ী তৈরি করে বসবাস করেন পেয়ারা বেগম। সেই থেকে তার বাহিনী দিয়ে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের দালাল ও পাহারাদার হয়ে নিয়মিত দেহ ব্যবসা ও মাদকের আসর বসিয়ে এলাকার ছাত্র ও যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

 

এ ঘটনায় এলাকাবাসী বিভিন্ন সময় প্রতিবাদ করলে তাদের মামলা, হামলার হুমকি দিতো। এসব অপকর্মের মাধ্যমে তারা নিজ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকার ছাত্র ও যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এমন অসামাজিক কার্যকলাপ করার কারণে বিভিন্ন সময় পুলিশ সতর্ক ও গ্রেপ্তারও করেন তাদেরকে। মানববন্ধনে আসা এলাকাবাসীর দাবি ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে। এসব অসামাজিক লোকেরা এলাকায় থাকলে আমাদের ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা খারাপ দিকে ধাবিত হবে। এরা প্রতিনিয়ত এই এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গার লোকের সমাগম ঘটিয়ে একটা অরাজক ও অসামাজিক কার্যকলাপের মাধ্যমে আমাদের এলাকার সুনাম বিনষ্টসহ এই গ্রামের চরম ক্ষতিসাধন করছে। তাই এইসব দুস্কৃতিকারীদের এই সমাজ থেকে অতি দ্রুত উচ্ছেদ করতে স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

 

তারা আরো বলেন, একটি সমাজ দুটি কারণে ধংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে। আর এ দুটিই তাদের মধ্যে রয়েছে। এ এলাকায় কোনো প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপ করতে দেওয়া যাবেনা। সুন্দর সমাজ গঠনে আমরা বদ্ধপরিকর। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি তাদের ভয়াল থাবা থেকে যুব সমাজকে এখনই রক্ষা করা প্রয়োজন।

 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় কারবালা মসজিদের সভাপতি মো. আঃ হাই কাল্টু, সহ-সভাপতি জহুরুল ইসলাম, আব্দুল মোমিন খান, মো. মমিনুল ইসলাম, নূরুল ইসলাম আকাশ, আব্দুল হালিম, আজিজুল ইসলাম, এমদাদুল হক, শিমুল ইসলাম জকি, এনাম হাজী, মোনতাহিরম মাওলানা হাসান রনি,আব্দুল খালেক, বাবুল, মেহেদী, মিজানফয়সাল, রতন, সাগর, ফিরোজ,এমরান, রাকিব, জাফর, জাকির, নিরব, সৈকত, সামিউল প্রমূখ।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com