• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩০
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতাকে  কুপিয়ে জখম: গ্রেফতার হচ্ছেনা আসামিরা 

প্রতিনিধি: / ৩০২ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় মামলা করে বাদি বিপাকে পড়েছেন। মামলার বাদি ও স্বাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে আবারও মারপিট করে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়া হবে বলে অভিযোগ করেছেন পঞ্চকরণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল রাজ্জাক খলিফা।

গত ২৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল রাজ্জাকসহ কয়েকজনকে পিটিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করলে রাজ্জাক চিকিৎসা শেষে ৫ ফেব্রুয়ারি ১০ জনের নামে বাগেরহাট আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। যার মামলা নং-৩১/২৪, তারিখ-৫.২.২০২৪।  আদালতের নির্দেশে মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ ওই  অভিযোগপত্রটি ৭ ফেব্রুয়ারি এজাহার হিসেবে গ্রহন করে। এর পর থেকে মামলার বাদি আব্দুল রাজ্জাক ও তার স্বজনদেরকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছে মামলার প্রধান আসামি ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস হাওলাদারসহ অপর আসামিরা।
মামলার বাদি আব্দুল রাজ্জাক অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধের কারনে তাদেরকে মারপিট করা হয়েছে। কয়েকটি দোকানের ভাড়াটিয়াকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রাস্তা ও বাজার ঘাটে বের হলেই গালমন্দ করা হয়। মামলা প্রত্যাহার না করলে আরও খারাপ পরিনতির হুমকী দিচ্ছে আসামিরা। পুলিশ রহস্যজনক কারনে এ মামলার আসামিদেরকে গ্রেফতার করছেনা বলেও অভিযোগ বাদির।
এ বিষয়ে মারপিটের মামলার প্রধান আসামি যুবলীগ নেতা গিয়াস হাওলাদার এসব অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনায় আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা এলাকার বাইরে রয়েছি। জামিন নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। হুমকীর অভিযোগ সঠিক নয়।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com