• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৩
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

যেসব বিপদ হতে পারে ইফতারের পর ধূমপানে

প্রতিনিধি: / ৩০৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪

স্বাস্থ্য: রমজান মাস সংযমের মাস। রোজা থাকা অবস্থায় দিনের আলোয় খাবার, পানীয় এবং ধূমপান থেকে বিরত থাকেন মুসল্লিরা। সারাদিন সংযম থেকে ইফতারের পরপর অনেকেই ধূমপান করেন। আপনি জানেন কি এতে আপনার শরীর ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যদিও যে কোনো সময়ই ধূমপান করা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যেভাবেই হোক না কেন, ধূমপানের ক্ষতিকারক প্রভাব থাকে। যারা ধূমপানে আসক্ত তাদের জন্য রোজার মাস উপযুক্ত সময় এই আসক্তি বর্জন করার। পরামর্শ দিয়েছেন সেন্টার ফর সাইকোট্রমাটোলজি অ্যান্ড রিসার্চের পরিচালক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও মনোসামাজিক স্বাস্থ্য গবেষক ডা. রিফাত আল মাজিদ। যারা ইফতারের পর ধূমপান করেন তাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা অনেক সময় বেড়ে যায়। কেননা, ধূমপান পাকস্থলীর হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে গ্যাসট্রাইটিস বা পাকস্থলীতে প্রদাহ তৈরি হয়। এ ছাড়া ধূমপানের ফলে ফুসফুসের প্রদাহসহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সারা দিন রোজা রেখে ইফতারির পর ধূমপান করা মাহে রমজানের মূলনীতি বিরুদ্ধ ও শরীরের জন্যও ক্ষতিকর। এটি স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। তাই রোজার মাসে সর্বোচ্চ চেষ্টা ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকা উচিত ধূমপান ত্যাগ করার। রোজার পবিত্রতা রক্ষায় ও শারীরিক সুস্থতার জন্য ধূমপান ত্যাগ করা খুবই জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ ও কাউন্সিলিং নেয়া যেতে পারে। এ বিষয়ে জর্ডান ন্যাশনাল অ্যান্টি-স্মোকিং সোসাইটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শ্রেইম বলেছেন যে, অতিরিক্ত ধূমপান ফুসফুস এবং স্নায়ুতন্ত্রকে উচ্চ ঝুঁকিতে ফেলে। তিনি রমজানকে ধূমপান ত্যাগ করার একটি সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com