• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১১
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

শ্যামনগরে চার গ্রামের মানুষের যাতায়াতের ভরসা মাদার নদীর উপরে নির্মিত বাঁশের সাঁকো

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৩৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সুন্দরবন থেকে বেরিয়ে আসা মাদার নদীর ওপরে বাঁশের সাঁকোটি শ্যামনগর উপজেলার ৪ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

এ উপজেলার তারানিপুর, ভবানীপুর, সৈদালীপুর ও মানিকপুর গ্রামের মানুষেরা প্রতিনিয়ত এই মাদার নদীর উপরে নির্মিত সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন।

 

স্থানীয় তপন কুমার মন্ডল জানান, তাদের এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াতে নানাবিধ সমস্যা জড়িয়ে আছে, রাতের আঁধারে কোন অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারে না তারা, ভারি কোন মালপত্র নিয়ে আসতে পারে না বাজার থেকে বাড়িতে, ছোট ছোট বাচ্চা ও প্রতিবন্ধী মানুষেরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে না, স্থানীয়ভাবে তারা কোন রকমে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে শ্যামনগর সদর সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়া আসা করে থাকেন বলে আরও একাধিক ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা জানান।

 

দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার মানুষ একটি ব্রিজের দাবি করে আসছে, কিন্তু আজও তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি । ওই এলাকার ইউপি মেম্বর আবু বক্কর জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাদার নদীর উপরে তাদের যাতায়াতের জন্য একটি ব্রিজের দাবি করে আসতেছিল গ্রামবাসীরা, তবে আজও তাদের দাবি এখনো পূরণ হয়নি।

 

তিনি আরো বলেন, জরাজীর্ণ বাসের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত মানুষের প্রতিটি মুহূর্ত আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়, বিশেষ করে বাচ্চাদের ও বয়স্ক মানুষের জন্য খুবই বিপদজনক সাঁকোটি, রাতে নেই কোন আলোর ব্যবস্থা, সংকীর্ণ সাঁকো দিয়ে উপজেলার চার গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে থাকে, যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন আতঙ্ক নিয়ে প্রতিটি মুহূর্ত চলতে হয় তাদেরকে।

 

ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা দ্রুত মাদার নদীর ওপর একটি ব্রীজ নির্মাণের দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com