• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৩
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৮৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
অভিযোগ

সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত ক্বারী তৈয়েবুর রহমানের প্রতারক পুত্র জি এম ফিরোজ আহমেদ আটুলিয়া ইউনিয়নের বয়ারসিংহ গ্রামের সত্যসরণ মন্ডলের স্ত্রী সুজিতা রানী মন্ডলকে প্রাইমারির স্কুলের সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরি দেওয়ার নাম করে নগদ তিন লক্ষ বারো হাজার পাঁচশত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত দরখাস্ত দায়ের করেছে।
শনিবার ১৪ সেপ্টেম্বর বারসিংহ গ্রামের স্ত্রী সুজিতা রানী মন্ডলের স্বামী সত্যসরণ মন্ডল বাদী হয়ে মৃত ক্বারী তৈয়েবুর রহমানের ছেলে ফিরোজ আহমেদকে বিবাদী করে অভিযোগ করে।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানাযায়,বাদী একজন গ্রাম্য প্রাণী সম্পদ (পশু) চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ান প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ব্যক্তি। বিবাদীর বাড়ীতে গরুর খামার থাকায় প্রায় সময় যাওয়া আসার সুবাদে বাদীর সহিত বন্ধুত্ব পরিচয় সর্ম্পক গড়ে উঠে। বিবাদী আমার স্ত্রী সুজিতা রানী মন্ডল কে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী দেওয়ার প্রলোভন দেখাইয়া ও ভুল বুঝাইয়া বিগত ২০১৩ সালে তৎকালিন এমপির নাম ভাঙ্গাইয়া আমার নিকট থেকে তিন কিস্তিতে নগদ তিন লক্ষ বার হাজার পাঁচশত টাকা গ্রহন করে। টাকা গ্রহন করার পর বিবাদী আমার স্ত্রীকে প্রাইমারী স্কুলে সহকারীশিক্ষকা পদে চাকুরী দেয় নাই বা দিতে পারে নাই।
আমি বিবাদীর কাছে বার বার টাকা চাহিলে এবং চাকুরীর কথা বলিলে সে বিভিন্ন ধরনের টালবাহনা ও অজুহাত সৃষ্টি করিয়া আমাকে অযথা হয়রানী করছে। বাদী দারুন ভাবে হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে এবং আর্থিক ভাবে বহু ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে। সেকারনে প্রতারনা ও বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ে টাকা গুলি আদায় সহ তাহার বিরুদ্ধে সরকারী বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থ গ্রহণের জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি কামনা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com