• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৬
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরার আলোচিত জনপদ খলিশাখালিতে পুলিশ ফাঁড়ি’র দাবী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২০১ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫

মারপিট, হামলা-মামলার জন্য আলোচিত জনপদ সাতক্ষীরার দেবহাটার খলিশাখালি এলাকা। এই জনপদে অপরাধ দমনের জন্য একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এখন স্থানীয়দের সময়ের দবী।

 

 

জানা গেছে, খলিশাখালি একটি জনবহুল এলাকা। এই এলাকায় ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীরা ব্যক্তিমালিকানাধীন ১৩’শ ২০ বিঘা জমি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আবাসন প্রকল্প করে দখল হয়ে আছে। বর্তমানে সেখানে মাদক আখড়াসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে গড়ে উঠেছে।

 

এলাকাবাসীরা বলছেন, দেবহাটা থানা থেকে খলিসাখালির দুরুত্ব প্রায় ১০ কি.মি. হওয়ার কারণে প্রতিনিয়িত ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের জন্য আইনের দ্বারস্থ হতে হিমশিম খেতে হয়। তাই এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলে, এটি অপরাধ দমনে সহায়ক হবে এবং এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে।

 

খলিশাখালি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান , সামাদ আলী, আশরাফ উদ্দীনসহ অনেকে জানান- এই এলাকায় ভুমিদস্যুরা মালিকানাধীন ভূমিগ্রাস করে এখানে অবস্থান করে সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ কর্মকান্ডের আস্থানা গেড়ে বসেছে। এই কারণে, এখানে অপরাধের সম্ভাবনাও বেশি। তাই এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলে, পুলিশ খুব দ্রুত ঘটনাস্থলে যেতে পারবে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পারবে। এছাড়াও একটি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ সৃষ্টি করবে। যখন মানুষ জানবে যে তাদের এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি আছে, তখন তারা আরও বেশি নিরাপদ বোধ করবে এবং অপরাধের শিকার হওয়ার ভয় কম পাবে।

 

তাই এলাকাবাসীর দাবি, খলিশাখালি এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। এটি এলাকার নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে সহায়ক হবে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

 

এবিষয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুকিত হাসান খাঁন বলেন, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ জনগনের সেবা দিতেই কাজ করে যাচ্ছে। সেবা নেওয়া স্বার্থে জনগনের কোন প্রত্যাশা থাকলে পুলিশ সেটি পূরণ করবে। তাছাড়া দেবহাটার খলিশাখালি এলাকায় সময় বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত হয়ে থাকে। স্থানীয়রা যদি সেখানে পুলিশ ফাঁড়ির দাবি করে সেটি সম্ভব।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com