• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫১
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সৌদিতে কর্মসংস্থান নিয়ে মি’থ্যা অ’পপ্র’চারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৪৫১ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সৌদি আরবে কর্মসংস্থান নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও সম্মানহানির প্রতিবাদে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার খাগড়াঘাট গ্রামের মো. সালাউদ্দীন।

 

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তিনি অভিযোগ করেন, তার ছোট ভাই মো. আব্দুল আলিম দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সৌদি আরব অবস্থান করছেন। এ সময় এলাকার কয়েকজন যুবক তার ভাইয়ের মাধ্যমে বিদেশে গিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

 

তিনি জানান, এলাকার পরিচিত শ্রীফলকাটির মো. শফিকুল ইসলাম, খাগড়াঘাটের মেজবাহ উদ্দীন ও মো. মেহেদী হাসান, পাতড়াখোলার গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর কবীর, বংশীপুরের মো. ইমরান সরদার এবং খাগড়াঘাটের মো. আশরাফ উদ্দীন সৌদি আরব যেতে রাজি হন। তাদের পরিবার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্মতিতে বৈধ ভিসা ও আকামার মাধ্যমে তাদেরকে সৌদি আরবের ‘হ্যাঙ্গার স্টোশন’ নামের একটি কোম্পানিতে ফুড ডেলিভারি বাইকার হিসেবে চাকরিতে যুক্ত করা হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে মো. সালাউদ্দীন অভিযোগ করেন, সৌদি আরবে গিয়ে শফিকুল ইসলাম চুক্তিবদ্ধ কোম্পানিতে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং নিজ উদ্যোগে অন্যত্রে চাকরি নেন। মেজবাহ উদ্দীন কয়েকদিন কাজ করার পর কম বেতনের অজুহাতে চাকরি ছেড়ে দেন এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাদের সম্মানহানি করেন। মো. জাহাঙ্গীর কবীরও ১০-১২ দিন কাজ করার পর বেশি বেতনের লোভে চাকরি ছেড়ে দেন, এমনকি চাকরির সময় তার ভাইয়ের কাছ থেকে ৩০০ রিয়াল ধার নিয়েছিলেন।

 

তিনি আরও জানান, একইভাবে আশরাফ উদ্দীন কয়েকদিন পর কোম্পানির কাজ ছেড়ে অন্যত্রে চলে যান। তবে তার ভাই মেহেদী হাসান এখনো সেই প্রতিষ্ঠানে ফুড ডেলিভারিতে চাকরি করছেন। অন্যদিকে ইমরান সরদার কয়েক মাস কাজ করার পর আকামা ও ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পর পালিয়ে অন্যত্রে যোগ দেন এবং বর্তমানে মোটা বেতনে কাজ করছেন।

 

সালাউদ্দীনের দাবি, যারা চুক্তি অনুযায়ী কোম্পানিতে কাজ করেননি, তারাই এখন বিদেশ যাওয়ার খরচ উসুল করার জন্য মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

 

তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জাতীয় টেলিভিশনে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে তাকে ও তার ভাইকে আদম ব্যবসায়ী আখ্যায়িত করছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে এ ধরনের মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com