• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৯
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

স্বামী হত্যার বিচারের দাবীতে শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২২৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪
শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর গ্রামের আরিফ বিল্লাহ’র স্ত্রী আকলিমা খাতুন (৩৬) স্বামী হত্যার বিচারের দাবীতে শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, এসময়ে তার  সাথে ছিলেন শাশুড়ী ও কন্যা।  ২২ আগষ্ট দুপুর ১২ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে আকলিমা খাতুন বলেন, আমার স্বামী অসহায় ও হতদরিদ্র ছিলেন। আমার ৩ কন্যা সন্তান। আমার স্বামী বিভিন্ন খাল বিলে জাল দিয়ে মাছ ধরে সেই মাছ বিক্রি করে সংসার চালায়।
একই গ্রামের আব্দুল গফ্ফার শেখের পুত্র আলমগীর হোসেন, মৃত ইন্দু বাছাড়ের পুত্র হরিপদ ও অরুন বাছাড় ও মৃত হাজড়া বাছাড়ের পুত্র অসিত বাছাড় আমার স্বামীর সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছিল।
শত্রুতার জের ধরে গত ২৪/০৩/২০২৩ তারিখ আনুমানিক রাত সাড়ে ১২ টায় মৎস্য ঘেরের আউটড্রেনে মাছধরা কালীন উক্ত ব্যক্তিগণ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মৎস্য ঘেরে ফেলে দেয়।
সকালে এ খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা থেকে কর্তব্যরত অফিসার ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে আমার স্বামীর লাশ থানায় নিয়ে আসে এবং ময়নাতদন্তে মর্গে প্রেরণ করে। তৎকালীন এম,পি, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বর আমাকে উক্ত হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে দেয়নাই। আমার স্বামীর দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর হত্যাকারীরা অজ্ঞতনামা ব্যক্তি বলে মামলা রজু করে। বর্তমান বৈসম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী সরকার পতন হওয়ায় সাধারণ মানুষ বাক স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ায় আমার দেবর মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন আইনী প্রক্রিয়ায় এ মামলায় উক্ত হত্যাকারীদের আসামী করার জন্য আমাকে সহায়তা করায় উক্ত হত্যাকারীরা আমার দেবরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক যখম করে।
এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমার স্বামীর হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতে সঠিক সত্যতা উদঘাটন করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com