• রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩০
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

১৯৭১ সালে ডুবে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিন ভারত খুঁজে পেল

প্রতিনিধি: / ২৬০ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আন্তর্জাতিক: বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিন পিএনএস গাজির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী জলযান ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’। বিশাখাপত্তনমের খুব কাছেই ওই সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ মিলেছে বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিনটি আগে ছিল মার্কিন নৌবহরের অংশ। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এই ডুবোজাহজটি ইউএসএস ডিবালো নামে ব্যবহার করা হত। পরে সেটি পাকিস্তানের নৌবাহিনীকে দিয়েছিল আমেরিকা। হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, বিশাখাপত্তনম থেকে মাত্র আড়াই কিলোমিটার দূরে পানির তলায় মাত্র ১০০ মিটার গভীরে সাবমেরিনটিকে খুঁজে বের করে ভারতীয় নৌসেনার ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’। ডুবে যাওয়ার সময়ে পাকিস্তানের এই সাবমেরিনে ছিলেন ৯৩ জন নাবিক। যাদের ১১ জন অফিসার। ভারতের পূর্ব উপক‚লের কাছে সমুদ্রে মাইন বসানোর জন্যে এই সাবমেরিন পাঠানো হয়েছিল। এ ছাড়া ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত ধ্বংস করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিএনএস গাজিকে। ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর পাকিস্তান ছেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কি. মি. পথ পাড়ি দিয়ে বিশাখাপত্তনমের কাছে এসে পৌঁছেছিল পিএনএস গাজি। এই সাবমেরিনকে ধ্বংস করতে আইএনএস রাজপুত নামক রণতরীকে মোতায়েন করে ভারত। সমুদ্রে পাকিস্তানি ডুবোজাহাজকে চিহ্নিত করে ‘ডেপথ চার্জ’-এর মাধ্যমে সেটিকে ধ্বংস করে ভারতীয় রণতরী। অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি ছিল, দুর্ঘটনার কারণে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com