• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৯
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

জান্তা সরকার দুই বিদ্রোহীকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারলো

প্রতিনিধি: / ৩৮৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিদেশ : মিয়ানমারের জান্তা সরকার বিরোধী দুই বিদ্রোহী যোদ্ধাকে গাছে ঝুলিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ম্যাগওয়ে অঞ্চল গত তিন মাস আগে ঘটা এই ঘটনার একটি ভিডিও মঙ্গলবার সামাজিকমাধ্যমে আপলোড করা হয়েছে। মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে বলে ইরাবতির এক প্রতিবেদনে উল্লখ করা হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সামরিক ও বেসামরিক পোশাক পরা কিছু মানুষ ঘিরে রেখেছে দুই ব্যক্তিকে। তাদের স্বীকার করতে বাধ্য করা হচ্ছে যে, তারা স্থানীয় জনপ্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া নিজেদের কুকুর বলেও উল্লেখ করতে তাদের বাধ্য করছে জান্তা সৈন্যরা। ভিডিওতে আরও দেখা যায়, জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার আগে তাদের ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। তাদের রক্তাক্ত শরীরজুড়ে ছিল গভীর জখমের চিহ্ন। হাত-পায়ে শিকল বেঁধে তাদের একটি গাছের দিকে টেনে নেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের ঝুলিয়ে দেওয়া হয় গাছের ডালে। জালানি ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় শরীরে। উপস্থিত সবার সামনেই তাদের পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এদিকে, জান্তা সরকার বিরোধী প্রতিরোধ গোষ্ঠী ইয়াও ডিফেন্স ফোর্স (ওয়াইডিএফ) এই ঘটনার জন্য জান্তা সৈন্য ও তাদের মিত্র মিলিশিয়া সদস্যদের দায়ী করেছে। ওয়াইডিএফ বলেছে, নৃশংস এই হত্যাযজ্ঞ দেখতে গ্রামের প্রতিটি বাড়ি থেকে একজনকে ডেকে নেয়া হয়েছিল। সূত্র : ইরাবতি


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com