• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৬
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

ডুমুরিয়ায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি  উদ্ধার

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি  / ২০২ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪
ডুমুরিয়ায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি  উদ্ধার

খুলনার ডুমুরিয়ার বাস স্ট্যান্ডে থেকে অজ্ঞাত নামা এক ব্যক্তি কে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় জনসাধারণ। জানা গেছে সাতক্ষীরা থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস খুলনায় যাওয়ার পথে তাকে ডুমুরিয়া বাস স্ট্যান্ডের যাত্রী ছাউনিতে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

 

স্থানীয় জনগণ তাকে উদ্ধার করে, ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এ ব্যক্তিকে কিছু খাইয়ে অজ্ঞান করে তার সর্বস্ব লুটে নিয়েছে।

 

উল্লেখ্য দেশে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছেন। হতাহতের ঘটনাও কম-বেশি ঘটেছে। এই অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তিন ধাপে কাজ করে। প্রথম ধাপে থাকে হকাররা। নির্ধারিত হকার ডাব, শরবত বা কোমল পানীয়ের সঙ্গে অজ্ঞান করার ট্যাবলেট সুকৌশলে মিশিয়ে টার্গেটকৃত ব্যক্তিকে খাইয়ে দেয়। খাওয়ার পর থেকেই তাকে অনুসরণ করতে থাকে অজ্ঞান পার্টির দ্বিতীয় ধাপের সদস্যরা। আর তৃতীয় ধাপের সদস্যরা টার্গেট করা ব্যক্তি অচেতন হয়ে পড়লে, তার সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে
পালিয়ে যায়। হাতিয়ে নেয়া টাকা পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী জমা হয় পার্টির প্রধানের কাছে। পরে সেগুলো ভাগ-বাটোয়ারা হয়। অজ্ঞান করার কাজে ব্যবহৃত হয় আমদানি নিষিদ্ধ চেতনানাশক ঔষুধ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com