• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৬
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

জাতির প্রয়োজন দৃঢ় হাত: পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

প্রতিনিধি: / ২৮৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিদেশ : পাকিস্তানিদের একটি দৃঢ় হাত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনির। এ সময় পাকিস্তানকে ‘অরাজকতা এবং মেরুকরণের’ রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে বলেও জানিয়েছেন। পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। এর আগেই  শনিবার এসব কথা বলেছেন তিনি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।  ১৯৪৭ সালে ভারত থেকে বিভক্ত হওয়ার পর থেকে দেশটির ইতিহাসের প্রায় অর্ধেক সময়ই ক্ষমতায় ছিলেন জেনারেলরা। সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনির বলেছেন, ‘২৫ কোটি মানুষের একটি প্রগতিশীল দেশের নৈরাজ্য ও মেরুকরণের রাজনীতি উপযুক্ত নয়। এর থেকে বের হয়ে আসতে জাতির একটি দৃঢ় হাত এবং উত্তোরণের প্রয়াস দরকার।’ সামরিক বাহিনীর সমর্থনেই দেশটিতে রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থান এবং পতন ঘটে থাকে। চলতি বছর সামরিক বাহিনী দেশটির তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দলকে সমর্থন করছে বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হচ্ছে। গতকাল শনিবার বেসরকারিভাবে প্রকাশিত চ‚ড়ান্ত কয়েকটি নির্বাচনি ফলাফলে কোনো সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখা যায়নি। তবে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে ছিলেন। ফলাফল ঘোষণায় দীর্ঘ বিলম্ব হলে সামরিক সংস্থার ভোট কারচুপিতে জড়িত থাকাসহ এমন আরও অনেক অভিযোগ উঠেছে। এরমধ্যে শুক্রবার সেনাবাহিনী-সমর্থিত পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) সর্বাধিক সংখ্যক আসনে নিজেদের বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেছিল। সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচন জয়-পরাজয়ের একটি শূন্য-সমষ্টির প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি ভোটদানের মাধ্যমে জনগণের আগ্রহ জানার একটি অনুশীলন।’ এতে আরও বলা হয়, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং তাদের কর্মীদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে গিয়ে জনগণের শাসন ও সেবা করার প্রচেষ্টাকেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত। এটিই গণতন্ত্রকে কার্যকরী এবং উদ্দেশ্যমূলক করার একমাত্র উপায়।’


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com