• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৬
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

শ্যামনগরে ভূমিহীনদের জায়গা ফেরত ও মি থ্যা মা ম লা থেকে রেহায় পেতে মানববন্ধন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২১৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
মামলা থেকে রেহায় পেতে মানববন্ধন

শ্যামনগরে সৈদালীপুর ভূমিহীনদের ইজারা নেওয়া সম্পত্তি জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করে ভূমিহীনদের বাড়িঘর মসজিদ ঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে উচ্ছেদ করায় ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহায় পেতে ভূমিদস্যু গুলি গফুরের ছেলে আলমগীর ও ভটুক বাহিনীর বিরুদ্ধে শ্যামনগরে মানববন্ধন করেছে ভূমিহীনরা। ১৮ই সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ১১ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে সৈদালীপুর ৩৮ ঘর ভূমিহীন ও মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ভূমিহীন মোহাম্মদ আলী হোসেন,কোহিনুর বেগম, আব্দুল হাই, রমেসা বেগম ও মুজিবর রহমান (মসজিদের ইমাম)।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা ৩৮ টি পরিবার ২০০৪ সালে ডিসিআর হিসেবে ইজারা নেই এবং সরকারের পক্ষ থেকে দখল বুঝিয়ে দেয়। আমার সেই থেকে শান্তিতে বসবাস করছিলাম, কিন্তু ১৯ সালে আমাদের ভয় দেখিয়ে জোর করে উচ্ছেদ করা হয়। আমরা আবার ও দখল নিয়ে বসবাস শুরু করি।
তবে ০৯ই মার্চ ২৩ সালে তৎকালীন পুলিশ প্রশাসন দিয়ে আমাদের ভয় দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে, মসজিদ,  ঘরবাড়ি ভাঙচুর লুটপাট করে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এবং রাতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তখন আমরা নিরুপায় হয়ে পরিবার নিয়ে রাস্তার ওপর বসবাস শুরু করি। কিন্তু তারা আমাদের নামে মিথ্যা ভাবে ১৪ টি মামলা দেয়। আদালত থেকে ৩ বার আমাদের পক্ষে রায় হলেও আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাচ্ছি না।
ভূমিদস্যুরা জোর করে টাকার জোরে দখল করে খাচ্ছে। আমাদের প্রশাসন, ছাত্র ও সকল দলের নেতাদের কাছে আমাদের একটাই দাবি আমাদের জায়গা যাতে করে ফিরে পেতে পারি ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি পেতে পারি সেই ব্যবস্থা করার।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com