• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৫
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

ফকরাবাদ হাফিজিয়া নূরানিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব্যুরো / ১৩৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ

আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ হাফিজিয়া নূরানিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণা রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাদ্রাসার দুইজন শিক্ষক ও ৩৮ জন শিক্ষার্থী সহ মোট ৪০ জনের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করেন।

 

কম্বল বিতরণকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম, আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) বিএম আলাউদ্দীন, ক্লাবের সদস্য ও ফকরাবাদ ঈদগাহ কমিটির সভাপতি এস এম শরিফুল ইসলাম শরীফ, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ মফিজুল ইসলাম ও মাওঃ মারুফ বিল্লাহ, প্রতিষ্ঠানের কার্যকারী সদস্য মিত্র তেতুলিয়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এস এম আবু ছাদেক, সদস্য শিক্ষক এস এম মুরশিদ আলম, জাহিদ আলী সরদার, মাওঃ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ্ব হাসমত গাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্লেখ্য উক্ত হাফিজিয়া মাদ্রাসাটি ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই থেকে হাটি হাটি পা পা করে ১৭টি বছর সুনামের সহিত অতিক্রম করেছে। বর্তমান মাদ্রাসাটিতে ৩৮ জন ছাত্র লেখাপড়ায় নিয়োজিত আছেন। এরমধ্যে বেশ কিছু ছাত্র এতিম রয়েছে। এই পর্যন্ত ৪৩ জন ছাত্র কুরআনের হাফেজ হয়ে বের হয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠানটি লেখাপড়ার মান অত্যন্ত ভালো কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কোন অনুদান পাইনি সে কারণে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষের। তাই মাদ্রাসাটি পরিচালনার জন্য সরকারি বেসরকারি সংস্থা সহ অর্থশালী ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক ও অভিভাবক সহ ছাত্রবৃন্দ।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com