• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২১
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

আশাশুনিতে মা ম লা, হাম লা ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন

বি এম আলাউদ্দিন, আশাশুনি প্রতিনিধি / ৩১২ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

আশাশুনিতে মৎস্য ঘের নিয়ে মিথ্যা মামলা, হামলা ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক মৎস্য ব্যবসায়ী।
রবিবার সকাল ১০টায় আশাশুনি প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া গ্রামের গণেশ চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে স্বপন মণ্ডল।

 

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, মাড়িয়ালা মৌজার নাকতাড়া বিলে পৈত্রিক (বিল পরিচালনা কমিটির এওয়াজ মূলে) ৮৮ শতক জমিতে আমি চিংড়ি চাষ করে আসছি। পাশাপাশি ঘের হওয়ায় নাকতাড়া গ্রামের বিমল সরকারের ছেলে মামলাবাজ মনোরঞ্জন সরকার আমাকে সেখান থেকে উচ্ছেদ করতে বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছে।

 

ইতিপূর্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি মনোরঞ্জন কিছু লাঠিয়াল নিয়ে আমার মৎস্য ঘেরের বাসা ভাংচুর করে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছিল। আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সে ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি দিলে তখন আমি আর আদালতে যাইনি। কিন্তু ঘটনার কয়েকদিন পর থেকে সে পূণরায় আমাকে মারধরের হুমকি দিলে গত ১১ মার্চ আমি তার বিরুদ্ধে ৪১৮ নং একটি সাধারণ ডায়রি করি। এতেও সে নিবৃত না হয়ে বিজ্ঞ আদালতে আমার বিরুদ্ধে ১৪৫ ধারায় অভিযোগ করলে তদন্ত পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে তা খারিজ হয়ে যায়। এরপর পেনাল কোড ১৮৮ ধারায় রিট পিটিশন করলে বিজ্ঞ আদালত আশাশুনি থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তাও মনোরঞ্জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। আইনানুগ কোন ক্ষতি করতে না পেরে মনোরঞ্জন গত ২৭ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টায় লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে আমার মৎস্য ঘেরের বাসায় আমাকে একা পেয়ে পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। আমি কোন রকমে সেখান থেকে বেঁচে যাই। কিন্তু হামলাকারী মনোরঞ্জন এ ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে নিজের স্ত্রী কে নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অহেতুক ভর্তি হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের নিত্যনতুন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তিতে মৎস্য ঘের করতে আমি হিমশিম খেয়ে যাচ্ছি। তাই বিষয়টি আমলে নিয়ে এই মামলাবাজ মনোরঞ্জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আমি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com