• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৬
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে শত্রুতার জেরে বৃক্ষ নিধন করেছে দূ র্বৃ ত্তরা

হাফিজুর রহমান শিমুল / ১২৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে ষড়যন্ত্র
মূলক ভাবে মৎস্য ঘেরের ভেঁড়িতে লাগানো আমসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিধন করার অভিযোগ করেছে একটি সংখ্যালঘু পরিবার।

 

অভিযোগ ও সরেজমিন সূত্রে জানাগেছে, গত মঙ্গলবার (৬ মে) রাতের আঁধারে ১৬টি ফলকার আম গাছসহ বেশ কয়েকটি অন্যান্য গাছ কেটে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা। ঘটনাটি বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বেজুয়া গ্রামের মৃত কালীপদ মন্ডলের পুত্র বিশ্বনাথ মন্ডল ও মধুসূদন মন্ডলের মৎস্য ঘেরের ভেঁড়িতে ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ঘের মালিক বিশ্বনাথ মন্ডল ও মধুসূদন মন্ডল।

 

মৎস্য ঘের মালিক জানান, ঘেরের ভেঁড়ির সীমানা ঘেঁষে লাগানো গোবিন্দভোগ আম গাছগুলো গভীর রাতে কেটে দিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে দূর্বৃত্তরা। সকালে ঘেরের ভেঁড়িতে গাছ গুলো কাটা অবস্থায় দেখতে পায়ে চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

সরেজমিনে গেলে এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, রাতের আঁধারে কে বা কারা তার লাগানো গাছগুলো কেটে দিয়েছে তা নিশ্চিত বলা নাগেলেও ইতিপূর্বেও বেশ কয়েকবার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও মামলাবাজ সিদ্দিক এবং তার সহোদর সাদেক নানাবিধ ক্ষতিসাধন করেছিল। সম্প্রতিও প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছিলো সাদেক গং। একজনের সাথে আরেক জনের শত্রুতা থাকতেই পারে, তবে গাছের সাথে শত্রুতা কেন? সঠিকভাবে তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা দরকার।

 

এ ব্যাপারে বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্তে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। প্রমান পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com