• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৩
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধে শ্যামনগরে র‍্যালি, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

এসএম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৪০ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী পালিত “১৬ দিন কর্মসূচি” উপলক্ষে ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধে বিশেষ সচেতনতা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে B4RL প্রকল্প। কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় শ্যামনগর উপজেলা চত্বরে একটি র‍্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নানা বয়সী নারী, শিক্ষার্থী, যুব স্বেচ্ছাসেবকরা এতে অংশ নেন। হাতে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও সচেতনতামূলক বার্তা নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ডিজিটাল সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

 

র‍্যালি ও মানববন্ধন শেষে সকাল ১০টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে B4RL প্রকল্পের প্রতিনিধিরা জানান– ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৬ দিন ধরে স্কুল, পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে ধারাবাহিক সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ডিজিটাল যুগে নারীর বিরুদ্ধে অনলাইন হয়রানি, সাইবারস্টকিং, ব্ল্যাকমেইল, ভুয়া ছবি ছড়ানো ও অনলাইন বুলিং উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে—যা কিশোরী ও তরুণীদের শিক্ষা, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

 

তারা জানান, এ বছর বিশেষভাবে কিশোরী শিক্ষার্থী, মা–অভিভাবক ও কমিউনিটির সাধারণ মানুষের মধ্যে ডিজিটাল সহিংসতার ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্কুলভিত্তিক সেশনে কিশোরীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন আচরণ, প্রাইভেসি সেটিংস, সাইবারবুলিং চেনা, সহায়তা চাইবার উপায় এবং নিজেকে সুরক্ষার কৌশল শেখানো হবে। অপরদিকে কমিউনিটি সেশনে মা–অভিভাবক, শিক্ষক, নারী নেত্রী ও যুব স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে পরিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

 

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, CEDIO যুব স্বেচ্ছাসেবকদের নেতৃত্বে ইউনিয়নভিত্তিক ক্যাম্পেইন, পোস্টার বিতরণ, গ্রুপ আলোচনা ও সোশ্যাল মিডিয়া প্রচার চলবে। তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা, করণীয় এবং আইনি সহায়তা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কাছে সহজ ভাষায় তথ্য পৌঁছে দেবে।

 

প্রকল্পের প্রতিনিধিরা আরও বলেন, “ডিজিটাল সহিংসতা নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতারই একটি আধুনিক রূপ, যা তাদের সম্ভাবনা সীমিত করে ও আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে। তাই ১৬ দিনের প্রতিটি দিন আমরা স্কুল থেকে পরিবার, পরিবার থেকে কমিউনিটিতে একই বার্তা পৌঁছে দিতে চাই—এখনই ডিজিটাল সহিংসতার বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”

 

সংবাদ সম্মেলনে হাফিজসহ B4RL প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com