• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৭
সর্বশেষ :
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে খুলনা জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতে গঠিত হচ্ছে ‘সাওপ আইনজীবী পরিষদ’ কয়রায় জেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে ভুল বানানের ব্যানার এবং রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে হতাশ না হয়ে নিকটস্থ থানায় (জিডি) করুন। খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম। সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা চোখের সামনেই পুড়ছে লক্ষ লক্ষ মণ গাছ। হুমকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, পাইকগাছা থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতায় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছে জনগণ। রামপালে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম।

নূর হোসাইন: / ৩১ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে এখন চলাফেরা করে মিরপুর থানা সেচ্ছাসেবক লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক  সন্রাসী শাহেদ ও তার ভাই শামীম।   মিরপুর -১, দক্ষিণ বিশিল ৯/৫৯ এ বসবাস করেন চিহ্নিত সন্রাসী শাহেদ এর বড় ভাই শামীম খান ও তার উল্টো পাশের বিল্ডিং এর ২য় তলায় বসবাস করেন চিহ্নিত সন্রাসী সাহেদ। গত ২ মার্চ ২০২৪ ইং লিয়াকত আলী নামে এক ব্যক্তি সন্রাসী শাহেদ এর ভাই শামীম এর বিরুদ্ধে  সাভার থানায় একটি জিডি করেন যার নং ১২০। জিডিতে সাহেদ অজ্ঞ্যত নামায় ছিল।  জিডিতে লিয়াকত আলী  উল্যেখ্য করেন তার জমিতে বালু ভরাট আছে তার পরও শামীম জোরপূর্বক বালু ফেলার চেষ্টা করে। তখন আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকায় পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি কারন শামীম এর ছোট ভাই সন্রাসী সাহেদ মিরপুর থানা সেচ্ছাসেবক লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এরপর কয়েক মাস আগে সেনাবাহিনী চিহ্নিত সন্রাসী হিসেবে তালিকা করে শামীমকে ও সাহেদকে এবং শামীমকে   গ্রেপ্তার করে তবে অজ্ঞ্যত নামায় সাহেদ থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি এবং জেল খেটে  সামীম জামীনে এসে আবারও তার ভাই সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাহেদকে সাথে নিয়ে সন্রাসী কাজে লিপ্ত হয় বলে এলাকাবাসী জানান। এলাকাবাসী আরো জানান তারা এখন বিএনপির পরিচয় দিয়ে অপরাধ জগৎ এ টিকে আছে। জানা যায় এই শামীম ও সাহেদ মৃত: বাদশা খান এর ছেলে তাদের মায়ের নাম মোসা: শাহানারা বেগম। শামীম এর ভোটার আইডি তথ্য অনুযায়ী  তার জম্ম ১৯৭৭ সালে এবং আগে সাভার থানার মেলারটেক বসবাস করতেন। সন্রাসী করে টাকা অর্জন করে বর্তমান ঠিকানায়  নিজস্ব ফ্লাটে বসবাস করে।  নাম বলতে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন তাদের ভয়ে সব সময় আমরা আতঙ্কতে থাকি কোন সময় কার ক্ষতি করে বসে তাই। এজন্য প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর দাবী এই দুই সন্রাসী ভাই সহ যারা এদের সেল্টার দেয় তাদের সহ এদের  যেন দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com