• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১০:০৫
সর্বশেষ :
পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। ওসি কিবরিয়ার রহস্যজনক নিরবতায় পাইকগাছায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের পুনর্বাসন বাড়ছে। ক্ষোভে ফুঁসছে জনগণ। ৫-ই আগস্টে আমেরিকায় পালিয়ে যাওয়া শেখ পরিবারের ঘনিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাদা আবু ইলিয়াসের এলাকায় ফিরে আসা নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি। প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা নির্বাচনকে ঘিরে পাইকগাছায় সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েই চলেছে, নীরব ভূমিকায় ওসি গোলাম কিবরিয়া। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। তাহলে কি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা না করে, দূষণের পক্ষ নিলেন আবুল কালাম আজাদ? পাইকগাছায় অবৈধ ইটভাটা ও কয়লার চুল্লি উচ্ছেদ। প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে পেয়েছে স্থানীয় জনগণ। খুলনা-৬ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির সংসদ প্রার্থীর সমর্থককে কারণ দর্শানোর নোটিশ। খুলনা-৬ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। একই সাথে জামায়াত ও বিএনপির দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ‌‌।

পাইকগাছায় অবৈধ ইটভাটা ও কয়লার চুল্লি উচ্ছেদ। প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে পেয়েছে স্থানীয় জনগণ।

খুলনা প্রতিনিধি: / ১৮০ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ৯নং চাঁদখালী ইউনিয়নে অবৈধ ভাবে ইট ভাটা ও কয়লার চুল্লির ব্যবসা করে পরিবেশ দূষণ করে আসছিলো একদল অবৈধ ব্যবসায়ী। ফলে সাধারণ জনগণ কয়লার চুল্লির কালো ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্ট, হাপানি সহ বিভিন্ন রোগে ভুগতে ছিলো। এছাড়াও অবৈধ ইটভাটা গুলো মাটির যোগান দিতে সরকারি ওয়াবদাসহ সরকারি খাস জমি নষ্ট করে আসছিলো। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রশাসন অর্থের বিনিময়ে দীর্ঘদিন চুপ ছিলো। ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতো না প্রশাসন ।

পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বার্থে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় অবৈধভাবে পরিচালিত ইটের ভাটা ও কয়লার চুল্লির বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসন, পাইকগাছা। বুধবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) এ অভিযান পরিচালিত হয়।

ফলে সাধারণ জনগণ প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে পেয়েছে। অভিযান দেখতে আসা একজন বলেন, নির্বাচনের আগে এই অভিযানটি সত্যি খুবই প্রয়োজন ছিলো। পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন যে শক্তিশালী অবস্থানে আছে নির্বাচনের আগে এই উচ্ছেদ অভিযান তার উজ্জ্বল প্রমাণ।

দীর্ঘদিন পরে অবৈধ ইটভাটা ও চুল্লি গুলো উচ্ছেদ করায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে নেট দুনিয়ায় নেটিজেনরা স্বাগত জানিয়েছে। প্রশাসনের প্রশংসা করে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি), পাইকগাছা জনাব মোঃ ফজলে রাব্বী।

মোবাইল কোর্টের অভিযানে দুটি এক্সকাভেটরের সাহায্যে ৩টি অবৈধ ইটভাটার চিমনি, কিলন ও কাঁচা ইট সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ৫৩টি অবৈধ কয়লার চুল্লি সম্পূর্ণরূপে উচ্ছেদ করা হয়।

এ অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি পুলিশ, সেনাবাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, পল্লী বিদ্যুৎ, গ্রাম পুলিশ এবং একদল শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন।

দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ইটভাটা ও কয়লার চুল্লির কালো ধোঁয়ায় অতিষ্ঠ এলাকার সাধারণ মানুষ এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, এই উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ কমবে এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, একাধিক বার এই অবৈধ প্রতিষ্ঠান গুলোতে নোটিশ দিয়ে আসলেও তারা কোন ভাবেই আইনের তোয়াক্কা করেনি। পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com