• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭
সর্বশেষ :
পুলিশের ভয়ে দরবেশ বেশে মিরপুরের  দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহেদ ও শামীম। ওসি কিবরিয়ার রহস্যজনক নিরবতায় পাইকগাছায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের পুনর্বাসন বাড়ছে। ক্ষোভে ফুঁসছে জনগণ। ৫-ই আগস্টে আমেরিকায় পালিয়ে যাওয়া শেখ পরিবারের ঘনিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাদা আবু ইলিয়াসের এলাকায় ফিরে আসা নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি। প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা। স্পন্দন হাসপাতালের নবাগত সিইও কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন স্পন্দন পরিবার সাতক্ষীরার ১৭৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা নির্বাচনকে ঘিরে পাইকগাছায় সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েই চলেছে, নীরব ভূমিকায় ওসি গোলাম কিবরিয়া। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। তাহলে কি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা না করে, দূষণের পক্ষ নিলেন আবুল কালাম আজাদ? পাইকগাছায় অবৈধ ইটভাটা ও কয়লার চুল্লি উচ্ছেদ। প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে পেয়েছে স্থানীয় জনগণ। খুলনা-৬ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির সংসদ প্রার্থীর সমর্থককে কারণ দর্শানোর নোটিশ। খুলনা-৬ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। একই সাথে জামায়াত ও বিএনপির দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ‌‌।

পিরোজপুরে চাঞ্চল্যকর সাব্বির হত্যাকান্ডে থানায় মামলা না নেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রতিনিধি: / ১০০৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরে চাঞ্চল্যকর দোকান কর্মচারী সাব্বির (১৫) হত্যাকান্ডে
থানায় মামলা না নেওয়ার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী
করেছে এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকালে শহরের টাউন ক্লাব রোডে এ মানববন্ধন
অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, এ্যাড. শেখ মোহাম্মদ নুরুল্লাহ, সমাজসেবী এস.এম
মুর্শিদ, ইউপি সদস্য নূরুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা
জিয়াউল আহসান সুজন, ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী মোঃ লাবুল খান, ঠিকাদার বাচ্চু
খান প্রমূখ। এদিকে মানববন্ধন কর্মসূচীর পর পিরোজপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এ্যান্ড
অপস্ধসঢ়;) মুকিত হাসান খান হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল শহরের বড়পুল সংলগ্ন সজিবের মালিকানাধীন
মুদি দোকান এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
প্রসঙ্গত, পিরোজপুর সদর উপজেলার দক্ষিন নামাজপুরের বাসিন্দা সোলায়মান শেখের পুত্র সাব্বির
শেখ শহরের মাছিমপুর এলাকার হেমায়েত উদ্দিনের পুত্র তায়জুল ইসলাম সজিবের মুদি দোকানে
মাসিক ১৫শত টাকা বেতনে দেড় বছর আগে থেকে কাজ করে আসছিলো। সজিব প্রায়ই
সাব্বিরকে তুচ্ছ ঘটনায় মারপিট ও নির্যাতন করত। ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সে ছুটিতে বাড়িতে
আসে এবং আর কাজে যেতে অনিহা প্রকাশ করে। এর দুই দিন পর ১৩ এপ্রিল দুপুরে সজিব তার
শশুরকে নিয়ে সাব্বিরকে মারধর ও নির্যাতন করে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে আসে। তারা সাব্বিরকে
আটকে রেখে মারপিট নির্যাতনের ১দিন পর (১৪ এপ্রিল) দুপুরে সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে
কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে
যান। পরের দিন সদর থানার পুলিশ লাশের সুরাতহাল রিপোর্ট শেষে পোস্টমার্টেমের জন্য মর্গে
প্রেরণ করা হয়।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com